এই বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সাথে মাহমুদ-উল্লাহ ৮ নম্বর পজিশনে ব্যাটিং এ নেমে ৪১ রান করে অপরাজিত ছিল। শেষ দিকে প্রায় ১০ টা সিঙ্গেল রান নেওয়ার সুযোগ থাকলেও রান নেন নাই। কারণ মোস্তাফিজ স্ট্রাইকে গেলে আউট হয়ে যেতে পারে। একইভাবে ভারতের সাথে ৭ নম্বর পজিশনে ব্যাটিং এ নেমে ৪৬ রান করে আউট হয়েছেন। সেদিনও প্রায় ৭-৮ টা সিঙ্গেল রান নেন নাই মোস্তাফিজ ডট বল খাবে অথবা আউট হবে বলে।
দলের চিন্তা না করে নিজের চিন্তা করলে দুই ম্যাচেই ফিফটি করতে পারতো মাহমুদ-উল্লাহ। শেষের দিকে ওভার থাকে না এবং মাহমুদ-উল্লাহকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ থাকে না। তার পরেও ধারাবাহিকভাবে রান করে যাচ্ছেন প্রতি ম্যাচে। অথচ তৌহিদ হৃদয় প্রায় প্রতি ম্যাচে ৪-৫ নম্বর পজিশনে নেমে অনেকগুলো বল খেয়ে আউট হয়ে যাচ্ছে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তৌহিদ হৃদয় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং করার সুযোগ পায় না। দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬১ বলে ২ চারের সাহায্যে করেছেন ৩৯ রান। তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৫ বলে করেছেন মাত্র ১৩ রান। একইভাবে ভারতের বিপক্ষে ৩৫ বল খেলে করেছেন মাত্র ১৬ রান। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হওয়ার পরেও ৪-৫ নম্বর পজিশনে ব্যাট করার সুযোগ পাচ্ছেন হৃদয়। যেখানে ভালো ব্যাট করার পরেও ৪-৫ নম্বর পজিশনে ব্যাট করে ইনিংস বড় সুযোগ পাচ্ছেন না মাহমুদ-উল্লাহ।
মাহমুদ-উল্লাহকে হৃদয় এর জায়গায় নামালে ২০১৫ সালের মতো ২-৩ টা সেঞ্চুরি আমরা নি:সন্দেহে পেতাম।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের সাথে স্কোয়াডে থাকলেও ব্যাটিং করার সুযোগ হয় নাই মাহমুদ-উল্লাহ। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যাডের বিপক্ষে স্কোয়াডেই ছিলেন না মাহমুদউল্লাই। যেখানে ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড বিপক্ষে দুর্দান্ত একে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ব্যাটিং পজিশনটা অনেকটা পাড়ার ক্রিকেটের মতো হয়ে গেছে। কে কোন পজিশনে ব্যাট করবে তা কোনো খেলোয়াড়ই জানেন না ।
এক্সপেরিমেন্টের নামে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নেহাত অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের মঞ্চে আদৌ কোন দেশ এমন এক্সপেরিমেন্ট করে বলে তা সকলেরই অজানা।
Good Work
nice