Friday, April 4, 2025
spot_imgspot_imgspot_img
Homeজীবনযাপনজেনে নিন, প্রস্রাব আটকে রাখলে যেসব ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে থাকে

জেনে নিন, প্রস্রাব আটকে রাখলে যেসব ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে থাকে

প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ বের হতে পারে না, ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আমরা কোথাও জমিয়ে আড্ডা কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ের সময় প্রস্রাব আসলে চেপে রাখি। এ স্বভাব কম বেশি প্রায় সবারই রয়েছে। প্রস্রাব চেপে রাখা মোটেও ভালো কাজ নয়। প্রস্রাব চেপে রাখার জন্য দ্রুত ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি হয়। যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ রোগ হয়ে থাকে। প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে শুরু করে শরীরের নানা রকম ভয়াবহ ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা থেকে।

প্রস্রাব আটকে রাখার ফলে শ্রোণিতল বা পেলভিক ফ্লোরের পেশিও দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ভবিষ্যতে প্রস্রাব ধরে রাখা বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমস্যা হতে পারে। হাঁচি, কাশির সময় হঠাৎ করেই নিজের অজান্তে কিছুটা প্রস্রাব বের হয়ে যেতে পারে। একই সাথে মূত্রত্যাগের প্রবণতাও বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ বের হতে পারে না, ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে কিডনির মধ্যে বর্জ্য পদার্থ জমতে জমতে একসময় কঠিন হয়ে যায়। যা একসময় পাথর হয়ে থাকে। কিডনিতে পাথর হলে পেট ব্যথা, সংক্রমণ বা রক্তপাতের মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। পাথর বড় হয়ে গেলে অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।

দীর্ঘ সময় প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে মূত্রাশয় ফেঁটে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। কিডনি ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রস্রাব আসলে দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রস্রাব করা উচিত।

প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে মূত্রাশয় প্রসারিত ও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মূত্রাশয় পূর্ণ থাকার সময় একটি প্রসারিত হয়। আর মূত্র ত্যাগের পরে মূত্রাশয় আবার সংকুচিত হতে থাকে। এজন্য দীর্ঘসময় প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে মূত্রাশয় আর তার নিজের আকারে রূপান্তরিত হতে পারে না। আকারে বড় হয় যায়।

সম্পর্কিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

জনপ্রিয়

সর্বশেষ মতামত